পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০১৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবুতর বাজারের নাটক

কবুতর বাজারের নাটক, যার ফলশ্রুতিতে আজ বাজারের এই দুর্বল অবস্থা। কম বেশি কিন্তু আমরা সবাই দায়ী এই পরিস্তিতির জন্য। ঘটনা ১ বিক্রেতাঃ ডিম বাচ্চা গ্যারান্টি। আমার এখানে বাচ্চা রেখেই ডিম দেয়। ক্রেতাঃ ভাই দুইমাস হয়ে গেল, ডিম তো দেয় না। আপনার কবুতর আপনি নিয়ে যান। বিক্রেতাঃ  ওকে ভাই ফেরত নিব। তবে, তার আগে আমি আপনার খামারটা দেখতে চাই।খামার দেখতে গিয়ে দেখা গেল খামারে বিড়ালের আনাগোনা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ,আশেপাশে রোগের মহোৎসব। তার উপর এমন জায়গায় কবুতর রাখা হয়েছে যে দুই মাস আগেআনা কবুতরের ট্রেস এখনও কাটে নাই। তার উপর খাবার ও খুব উন্নত মানের (ধানখাওয়ানো হচ্ছে), বললাম ভাই এই পরিবেশে ডিম দিবে তো দূরের কথা বেঁচে যে আছে তাই তো অনেক। ক্রেতাঃ কি বলেন ভাই। পরিবেশের খারাপ কি দেখলেন? আমার বাংলা জোড়া তো ডিম বাচ্চা করেই যাচ্ছে। বিক্রেতাঃ ভাই এই পরিবেশে বাংলা/ গোলা পালতে পারলেও পারতে পারেন। তবে, ফেন্সি পালার নাম নিয়েন না। ঘটনা ২ ক্রেতাঃ ভাই এক জোড়া ভাল গিরিবাজ হবে ? বিক্রেতাঃ আছেতো ভাই, ডিম বাচ্চা ভাল করে। অনেক বড় বড় জাতের বাচ্চাও বড় করতে পারে। কালার ও সুন্দর। ক্রেতাঃ কত ভাই ? বিক্রেতাঃ ১৪০০। ক্রেতাঃ ভ...

পাখি বা কবুতর ক্রয় বিক্রয় করতে সাবধান

অনেক পাখি প্রেমিক আছেন যারা কাঙ্খিত পাখি ক্রয় বিক্রয় বা অন্য পাখির সাথে পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক এই মর্মে বিজ্ঞাপন দেন। আগ্রহী ব্যাক্তি জানেন না, বিজ্ঞাপনদাতা ঠিক কি উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। তার বিজ্ঞাপনের আড়ালে অন্য কোন অসৎ উদ্দেশ্যও তো লুকিয়ে থাকতে পারে। যেমন সুযোগ পেলে টাকা-পয়সা, ঘড়ি কিংবা সেলফোন হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্যেকে আড়ালে রেখে পাখি ক্রয় বিক্রয় করার নামে বিজ্ঞাপন দিলেন বা অন্য যে কোন কিছু হতে পারে। কিন্তু কিছু প্রাসঙ্গিগ সর্তকতা মেনে চললে এমন অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়িয়ে চলা সম্ভব। অনেক ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপনদাতা ফোন নম্বর সহ বিজ্ঞাপন দেন। তাকে সরাসরি ফোন না করে তার দেয়া পোষ্টেই তার সাথে আলাপ করুন। পাখি ক্রয় বিক্রয়ের কারন জানতে চেষ্টা করুন। দরদামটা একই সাথে শেষ করুন এবং সময় নিন। তার কাছ থেকে ঠিকানা সংগ্রহ করুন। তার দেওয়া ঠিকানার আসে পাসে আপনার পরিচিত কেউ আছে কিনা খোঁজ নিন। এবং সেই পরিচিত ব্যাক্তির দ্বারা ক্রেতা বিক্রেতার ঠিকানা যাচাই করুন। তার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তার কাছ থেকে সময় চেয়ে নিবেন। ঐ এলাকায় আপনার নিজের পরিচিত কেউ না থাকলে আপনার পরিচিতের পরিচিত এবং ঐ এলাকার অলি-গলি যিনি চে...

করণীয় কাজঃ বাজরিগার পাখি ডিমে দিলে

আজ আপনার শখের বাজরিগার পাখি ডিম দিয়েছে, খুশিতে আত্নহারা! শখের পাখির জন্য কি করবেন কিছুই ভেবে পাচ্ছেন না। থামুন! একটু বড় দীর্ঘশ্বাস নিন এবং নিচের কাজগুলো করার চেষ্টা করুন। সব সময় খাঁচায় মিনারেল ব্লক ও সাগরের ফেনা দিয়ে রাখতে হবে । যে দিন থেকে বাজরিগার পাখি ডিম দিবে সেই দিন থেকে ডিম দেয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত পানির সাথে ক্যালসিয়াম মিশিয়ে দিন। পাখিকে এগ ফুড খাওয়ানো শিখাতে হবে ,তাই মাঝে মাঝে পাখিকে এগ ফুড খেতে দিন । গোসলের জন্য মাঝে মাঝে আলাদা ভাবে পানি দিন, ১০ মিনিট পর পানি বের করে দিন, যদি ডিমের আদ্রতা ঠিক করতে হয়, পাখি তা পানির দ্বারা করে নিবে। বর্ষা এবং শীতের সময় পাখিকে গোসল করানোর কোনো প্রয়োজন নাই। কোন ভাবেই বার বার ডিম দেখার জন্য উঁকি দেয়া যাবে না, এতে পাখি ডিমে তা নাও দিতে পারে, এমন কি ডিম ফেলে দিতে পারে । ডিম চেক করতে হলে অভিজ্ঞ কারও সাহায্য নিন , নিজে চেষ্টা করবেন না যদি অভিজ্ঞতা না থাকে। ডিমে পাখির বিষ্ঠা যদি লেগে থাকে, তুলা দিয়ে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে দিবেন, যদি আপনি না পারেন, তাহলে অভিজ্ঞ কারও সাহায্য নিন । পরিবারের অন্য সদস্য যেন পাখিকে বিরক্ত না করে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে,এম...

পিপড়া তাড়ানোর সহজ উপায়

পিঁপড়া দূর করা নিয়ে গতকাল এক ভাই প্রশ্ন করেছিলেন। আমিও প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পিপড়ার যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে পড়েছিলাম। পাখির খাবার, পানি,পারচ সব জায়গায় পিপড়া আসত। এরপর নেট থেকে দেখে একটা হোম মেইড সলুশন এপ্লাই করলাম। ফলাফল:২৪ ঘন্টায় সব পিপড়া গায়েব। এবার আসি সলুশন টা কিভাবে বানাবেন ও ব্যবহার করবেন। উপাদান : বরিক পাউডার (৩ চা চামচ) চিনি (৩ চা চামচ) পানি (দরকার মত) প্রথমে বরিক পাউডার গুলোকে চামচ দিয়ে পিষে মিহি করে ফেলুন, যাতে কোন জমাট না থাকে। এর পর চিনি এবং পানি মিক্স করে পেস্ট বানাব। পানি ততটুকুই দেবেন যেন পেস্ট এর ঘনত্ব কনডেন্সড মিল্কের মত হয়। এবার পেস্ট টা কাঠি বা চামচের আগায় নিয়ে পিঁপড়ার লাইন বরাবর এক দুই ফিট পরপর মাখিয়ে দেন। ব্যাস! আপনার কাজ শেষ। পিঁপড়া এই পেস্ট খেয়ে সাথে সাথে মরবেনা, ওরা এটা নিয়ে ওদের কলোনীতে যাবে এবং রানী পিঁপড়াকেও খাওয়াবে। মোটামুটি ২৪ ঘন্টায় পুরা পিপড়া কলোনী শেষ। যারা পিপড়া থেকে মুক্তির ঝামেলাহীন এবং কার্যকর উপায় খুজছেন তারা এটা প্রয়োগ করুন, আর আপনার পাখি কে রাখুন নিরাপদ। অতিরিক্ত টিপস : আমি বেচে যাওয়া পেস্টের বাটি টা পাখির খাচার কাছে (ভিতরে না) রেখে দিয়েছিলাম। যেন খাচ...

বাজরিগার পাখি পালনের জন্য কিছু পরামর্শ

আপনারা যারা নতুন বাজরিগার পাখি পালক বা পুষবেন বলে চিন্তা ভাবনা করছেন তাদের জন্য কিছু নিচের কিছু গুরুত্বপূর্ন পরামর্শ জেনে রাখা দরকার। প্রথমে আপনার মনকে স্থির করুন, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে কথা বলুন এবং তাদের মতামত নি্‌ পরিবারের সম্মতি থাকলে তাহলে পাখি কিনুন, কেননা মাঝে মাঝে তাদের সাহায্য আপনার প্রয়োজন হতে পারে। তাছাড়া বাজরিগার পাখি অনেক অনেক ডাকাডাকি করে। পরিবারের সম্মতি না থাকলে আপনাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হতে পারে, কয়েকজন পাখি পালকের সাথে কথা বলুন। তারা কিভাবে পাখি পালে তা লক্ষ্য করুন। তাদের সাথে সুবিধা ও অসুবিধাগুলো নিয়ে আলোচনা করুন, পাখি পালন করতে গিয়ে আপনি যে সমস্যাগুলোর মুখোমুখি হবেন, তা মোকাবেলা করার জন্য কতটুকু প্রস্তুত তা যাচায় করুন, প্রাথমিক অবস্থায় লাভের চিন্তা করবেন না। আগে পাখি সুস্থভাবে পালন করা শিখুন তারপর অন্য চিন্তা করুন, ডিম বাচ্ছার লোভে পাখি পালার কথা চিন্তা করবেন না। এদের সঠিকভাবে যত্ন করলে নিজ থেকে এরা আপনাকে আনন্দে ভরিয়ে দিবে, বাজরিগা পাখি কেনার আগে পাখি রাখার জন্য যতাযথ স্থান এবং খাচার ব্যবস্থা করুন, প্রথমে ২ জোড়া কম বয়সী পাখি কিনুন, ছেলে মেয়ে পাখিকে আলাদা র...

বাজরিগার পাখি কেনার পূর্বে করনীয় কাজ

বাজরিগার পাখি পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়ার পরে আপনাকে ধারাবাহিকভাবে কিছু কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজন হতে পারে। তা হলঃ ১ স্থান নির্বাচনঃ সবার আগে আপনি পাখিদের কোথায় রাখবেন তা নির্ধারন করতে হবে। আলো-বাতাস পূর্ণ নিরিবিলি স্থান সবচেয়ে ভাল। তবে সরাসরি সূর্যের তাপ ও বাতাস গায়ে লাগা থেকে তাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে। ২ খাঁচা নির্বাচনঃ বাজরিগার পাখি পালনের জন্য আপনার সাধ্যের মধ্যে সবচেয়ে বড় খাঁচা নির্বাচন করুন। খাচার ভিতর পাখি যাতে ডানা মেলে উড়তে পারে, এক লাঠি থেকে অন্য লাঠিতে উড়ে যেতে পারে, খাঁচা বেয়ে উঠতে পারে এবং খেলাধুলা করতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। খাঁচার ভিতর ২টি ভিন্ন মাপের কাঠি দিন যাতে তাদের পায়ের ব্যায়াম হয়। একজোড়া বাজরিগা পাখির প্রজনের জন্য কমপক্ষে ১৮ ইঞ্চি X ১৮ ইঞ্চি X ১৮ ইঞ্চি মাপের খাঁচা ব্যবহার করা ভাল। এছাড়াও বাজরিগা পাখি বিশ্রামের জন্য ফ্লাইং খাঁচা ব্যবহার করা যায় যা বিভিন্ন মাপে পাওয়া যায়। একটি ৩৬ ইঞ্চি X ১৮ ইঞ্চি X ১৮ ইঞ্চি মাপের খাঁচায় ৬-৮ টি বিভিন্ন বয়সী পাখি রাখা যায়। আপনার ইচ্ছা হলে ফ্লাইং এর জন্য আরো বড় খাঁচা ব্যবহার করতে পারেন।

বাজরিগার পাখির খাদ্য মিশ্রণ

ছবি
বাজরিগার পাখি Parakeet এর জাত হওয়ায় এরা শস্যদানা বেশি পছন্দ করে প্রাথমিক খাদ্য হিসেবে। এছাড়াও এরা ক্যাটলফিসের হাড়, বিভিন্ন শাক সবজি এবং ফলমূল খেয়ে থাকে। নিচে আমাদের দেশে সহজে পাওয়া যায় বিভিন্ন শস্যদানা নিয়ে একটি আদর্শ শস্যদানার মিশ্রণ তুলে ধরা হল। কাউন ১.৫ কেজি চিনা ২.৫ কেজি পোলাও চাউলের ধান ২৫০ গ্রাম তিশি ২৫০ গ্রাম সূর্যমূখী ফুলের বীজ ২৫০ গ্রাম গুজি তিল ২৫০ গ্রাম উপরের শস্যদানার মিশ্রণটি ৫ কেজি শস্যদানার জন্য। এছাড়াও আপনি এই মিশ্রণের সাথে আরো যোগ করতে পারেন মিলেট এবং ক্যানারি। আপনি আপনার প্রয়োজনমত কমবেশি পরিমাণ যোগ করে নিতে পারবেন। আমি আমার বাজরিগার পাখির খাবারের জন্য যে মিশ্রণটি ব্যবহার করি তা নিচে ভিডিওতে উল্লেখ করা হল।

বাজরিগার পাখির ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড

ছবি
সিদ্ধ মুরগি, কোয়েল বা হাঁসের ডিমের সাথে শাখ, সবজি, ফল, পোকা বা পাখির অন্য খাদ্যর সাথে মিশ্রণ করে যেই খাবার তৈরি হয়, তাকেই ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড বলা হয়। ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড কখন দিতে হয়? যদি সম্ভব হয় সবসময়। পাখিকে সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন দিলে পাখির শরীরের কোন পুষ্টির অভাব থাকবে না। সকালে দিয়ে, দুপুরে সরিয়ে ফেলবেন। ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড না দিলে হয় না? ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড দেয়া বাধ্যতামূলক না। তবে না দিলে কোন পুষ্টির অভাব হলে পাখির আচরণ বা আকারে পার্থক্য দেখা দিতে পারে। পাখি নিজের পায়খানা বেশী করে খেতে পারে। যদি ব্রীডিং করে, তাহলে বাচ্চাদের স্বাস্থ্য ভালো হলেও বাবা-মায়ের স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে। বাচ্চাদের বড় হতে সময় বেশী লাগতে পারে, বাচ্চাদের খাবারের চাহিদা আরো বেশী থাকতে পারে। যেদিন ডিমের তৈরি খাবার বা এগফুড দিব, সেদিন বীজ দেয়া যাবে? বীজ সবসময়ে দিয়ে রাখবেন। শুধু এগফুড যথেষ্ট না। পাখি তো খাচায় না পোষণ করলে এগফুড পাবে না। তাহলে এটা কেন দিতে হবে? বীজ খেলেও তো হবে।যেই পাখিরা এগফূড খায় না,তারা তাদের নিজের ডিম খেতে পারে, বা বাচ্চার রক্ত খেতে পারে পুষ্টির অভাবে। শুনেছি ডিমের তৈরি...

বাজরিগার পাখি পালনে সফলতার গল্প # ১

বাজরিগার পাখি পালনে অবশেষে সফলতা,আগেরবার দশটা ডিম দিল। একটাও ফুটল না। মন খারাপ হলো। ১ মাস চেষ্টা করলাম। মেয়েটা কেন যেন ডিম ফেলে দিত হাঁড়ি থেকে। জোড়া ভেঙ্গে দিলাম। Flying কেজ এ ছেড়ে দিলাম। ৩/৪ মাস পর সেপ্টেম্বর /অক্টোবর এর দিকে আবার breeding cage এ দিলাম। সরকারি চাকরির কারনে প্রাায় ৬ মাস ঢাকার বাইরে থাকতে হয়। প্রতি সপ্তাহেই ফিরে আসি। তবে শনিবারে ঢাকা ছাড়ি। ঐ ২/১ দিনেই খাঁচার কাছাকাছি ঘন্টাখানেক দাড়িয়ে দেখি কি অবস্থা! ওদের মেটিং করতে কখনও দেখি নাই। ঢাকায় থাকার সময় চেষ্টা করতাম শাক-সবজি দিতে। নভেম্বর থেকে দেখলাম মেয়েটা হাড়িতে বসে থাকে, বেড়োয়না। ডিম দেয়ার আগে আগে এদের পুপস পরিবর্তনটা আমি জানি, তাই হচ্ছিল, কিন্তু হাড়ি check করি নাই। যখন আর ধৈর্য্য হচ্ছিল না দেখলাম হাড়িতে ৬টা ডিম। ই-সেল দেয়া শুরু করলাম, কিন্তু ২/৩ দিন দেয়ার পরই ঢাকা ছাড়লাম। বাসায় দেখার কেউ নাই। উল্টো বিরক্ত। অনেক ময়লা করে ওরা। বউকে ধন্যবাদ শুধুমাত্র পানি পরিবর্তন করে দিত ৬ ঘন্টা পরপর। যাই হোক, ডিসেম্বরের শেষ সময় সরকারি সফর শেষ করে এসে হাড়িতে দেখলাম ১ ইঞ্চি কিছু একটা নড়ছে। মেয়েকে বললাম, বউকেও। এবার একটু খুশি দেখলাম সবাইকে। পর...

বাজরিগা পাখি এর প্রাথমিক রঙ এবং কিভাবে কোন রঙের পাখি পাবেন

বাজরিগা পাখি এর বেসিক রঙ দুইটি একটি সবুজ অন্যটি নীল। ডার্ক ফ্যাক্টর অনুযায়ী আবার দুটি রঙের ই  তিনটি করে ধরন আছে সবুজের জন্য লাইট গ্রীন,ডার্ক গ্রিন এবং অলিভ। ধারাবাহিকভাবে এগুলা একটি থেকে অন্যটি গাঢ় দেখায় নীল এর ক্ষেত্রে স্কাই ব্লু, কোবাল্ট এবং মোভ। সবুজ গুলো হল ডমিন্যান্ট কালার আর নীল হল রিসেসিভ অর্থাৎ যদি একটা সবুজ আর একটা নীল রঙের জিন এর তুলনা করা হয় তবে সবুজ নিজেকে প্রকাশ করবে আর নীল লুকিয়ে যাবে জেতাকে আমরা split বলি। সোজা ভাষায় যদি নীল আর সবুজ পেয়ার করেন তবে বাচ্চা সবুজ রঙের আসবে।তাই নীল আর সবুজ পাখি জোড়া দিয়ে দুই রঙের বাচ্চা পাওয়ার  চিন্তা সম্পুরনই একটা বৃথা চেষ্টা। বেপারগুলা যদিও আর ও জটিল তবে এখানে আমি সহজ ভাষায় বুঝিয়েছি। বাজরিগা পাখি এর সবুজ রঙয়ের ক্ষেত্রে বাজরিগার পাখি জোড়া সম্ভাব্য বাজরিগার পাখি পাওয়া যেতে পারে লাইট গ্রিন + লাইট গ্রিন লাইট গ্রিন লাইট গ্রিন + ডার্ক  গ্রিন দুই রকমই আসবে লাইট গ্রিন + অলিভ শুধু ডার্ক গ্রিন। ডার্ক গ্রিন + ডারক গ্রিন ডার্ক গিন+লাইট গ্রিন+অলিভ গ্রিন ডার্ক গ্রিন + অলিভ ডার্ক গ্রিন+অলিভ অলিভ + অলিভ অলিভ বাজরিগা পাখি এর নীল রঙের ক্ষেত্রে বাজরিগার পাখি ...

খাঁচার পাখি এবং বন্য পাখির মধ্যে পার্থক্য

পাখিদের মূলত দু’ভাগে ভাগ করা যায়। একটি ওয়াইল্ড বার্ড (বন্য পাখি), অন্যটি কেসবার্ড বা খাঁচার পাখি। ওয়াইল্ড বার্ড বা বন্য পাখি পালন করা/ধরা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অপরদিকে কেসবার্ড বা খাঁচার পাখি হচ্ছে খাঁচায় পালন করার জন্য। এসব পাখি জন্মজন্মান্তর থেকে তারা খাঁচায় বসবাস করছে। খাঁচায় এসব পাখি নিরাপদ বোধ করে। স্বাচ্ছন্দ্যে বাস করে। কিন্তু বন্য পাখিকে যদি খাঁচায় বন্ধি করা হয় তাহলে পাখি খাঁচায় ছটফট করবে, আর তা আইনত অপরাধ। শখে যারা পাখি পালন করেন তারা সাধারণত কেসবার্ড বা খাঁচার পাখি পালন করেন। খাঁচার পাখিগুলো আমাদের দেশি পাখি নয় এগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা। আমাদের আবহাওয়ায় খাঁচার পাখি স্বাচ্ছন্দবোধ করে, তাই পাখিপ্রেমিকদের কাছে খাঁচার পাখি আজ জনপ্রিয়। আমাদের দেশের অনেকের বদ্ধমূল ধারণা যে খাঁচার পাখি কেসবার্ডগুলোকে ছেড়ে দেয়া যায়। আর ওই পাখিদের খাঁচায় বদ্ধ রাখা অন্যায়। আসলে তা ঠিক নয়। কারণ কেসবার্ডগুলোকে প্রকৃতিতে ছেড়ে দিলে অন্যান্য পাখি এদের মেরে ফেলবে। আর কেসবার্ড পালন করলে এতে আইনের কোন বাধা নেই। এমনকি এই কেসবার্ড প্রকল্প নিয়ে পাখি রফতানিও করা যায়। সরকারের সহায়তা পেলে বছরে শতকোটি টাকার পাখি রফতান...

পশু পাখি ডাক্তার এর প্রয়োজনীয় মোবাইল নম্বর

প্রিয় পোষা পাখির দ্রুত চিকিৎসার জন্য অনেক সময় আমরা অভিজ্ঞ ডাক্তার ও ব্রীডারের জন্য মরিয়া হয়ে উঠি। কিন্তু তাদের সাথে যোগাযোগ না হওয়ার কারণে অনেক সময় আপনার প্রিয় পাখিটি জীবন হারায়। আপনাদের সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু মোবাইল নম্বর এইখানে দেয়া হল। সম্ভব হলে আপনার মোবাইলে সেভ করে রাখুন। নাম মোবাইল নম্বর DR. SALAHUDDIN SHAKIL 01711191485 DR.ZAHID 01755540914 পাখির লালন-পালন ও প্রজননের জন্য নাম মোবাইল নম্বর SIR AZIZUL HAQUE FARHAD 01919544240 SANJOY MONDAL 01715198651 NAZMUL HUSSAIN TAPU 01828111100 TANVIR 01715896298 SHAFA MAMA 01920787946 FIROZ REZA 01713919925 MD MOHSIN SUZA 01913821287 পাখির মিউটেশন বা জাত জানার জন্য নাম মোবাইল নম্বর NAZMUL HUSSAIN TAPU 01828111100 FIROZ REZA 01713919925 MD MOHSIN SUZA 01913821287 RAJU RAHMAN 01710255282 ARIF ALAM 01673676091 বাজরিগার নিয়ে বাংলাদেশে জনপ্রিয় বেশ কয়েকটি গ্রুপের লিংক এবং এডমিনদের মোবাইল নম্বরঃ গ্রুপের নাম ও লিংক এডমিনদের নাম এবং মোবাইল নম্বর Budgerigar Society Of Bangladesh. Click here to Join সুলতান বাবু = 01914-031068 Chittagong Bird Bree...

বাজরিগার পাখি পরিচিতি

বাজরিগার পাখি প্রধানত অস্টেলীয়ার পূর্ব ও দক্ষিন-পশ্চিম উপকূল অঞ্চলসহ সমগ্র বনাঞ্চলে দেখা যায়। এছাড়াও তাস্মেনিয়া এবং এর প্রতিবেশী কয়েকটি দেশেও এর বিস্তার আছে। আপনাদের সুবিধার জন্য, এই পাখির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি নিচে তুলে ধরা হলঃ সাধারন নামঃ বাজরিগার (Budgerigar) বৈজ্ঞানিক নামঃ মেলোপসিট্টাকাস আনুডুলেটাস (Melopsittacus Undulatus) শারীরিক বৈশিষ্টঃ সাধারনত বন্য বাজেরীগার লম্বায় প্রায় ৬.৫ – ৭ ইঞ্চি এবং খাঁচায় প্রায় ৭ – ৮ ইঞ্চি। ওজনঃ বন্য বাজরিগার ২৫ – ৩৫ গ্রাম এবং খাঁচায় ৩৫ – ৪০ গ্রাম পর্যন্ত হয়। স্ত্রী পুরুষ চেনার উপায়ঃ ৪ মাস বয়স পার হলেই নাকের বর্ন দেখে স্ত্রী- পুরুষ সহজেই চেনা যায়। আয়ুস্কালঃ বন্য বাজরিগার পাখির গড় আয়ু ৪-৫ বছর এবং খাঁচায় ১০-১২ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। প্রজনন সময়ঃ বাজরিগার পাখি ৪ মাস বয়স থেকেই প্রজননে সক্ষম কিন্তু ৮ মাসে প্রজনন ক্ষমতা অনেক বেশী। প্রজনন করতে শ্রেষ্ঠ বা সঠিক বয়সঃ পুরুষ ১০+ মাস ও নারী ১১+ মাস ডিমে থেকে বাচ্চা ফুটার সময়ঃ ১৮দিন ডিম পারেঃ ৩-১০ টা জন্মের সময় ওজনঃ ০-২ গ্রাম চোখ খোলে ৬-৭ দিনে পালক সম্পূর্ণ গজায়ঃ ২৮ দিনে ছানা বাস...