সাহসিকতার গল্প ১ – বাজরিগার পাখি পালন
তখন ২০০৮ সাল, আমি সবেমাত্র ৩য় শ্রেণিতে উঠেছি, ক্লাসে ১ম হওয়ায় ভাইজান আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল কি চাই তোর, আমি সোজা বাক্যেই বলি, আমি টিয়া পাখি নিবো ( তখন বাজরিগারের নামও শুনি নাই), তার আগ থেকেও পশুপাখির প্রতি ভালোবাসা কাজ করতো, গুলতি দিয়ে শালিক/বাবুই শিকার করতাম, বাসায় এনে ১/২ দিন রাখতাম ইত্যাদি ইত্যাদি… তো ভাই নিয়ে আসলো ৩টা বাজরিগার, সেদিন আনন্দে সারারাত ঘুম আসেনি, নিজের বিছানায় খাচা নিয়ে বসেছিলাম, ওই পাখিগুলো ২ বছর যাবৎ আমার কাছে ছিলো, একবার ভ্রমনে যাওয়ায় ২টা পাখি খাদ্য সংকটে মারা যায় আর একটা বিড়াল আক্রমণ করে। তারপর আমি নিজে টিফিনের টাকা জমিয়ে একটা টিয়াপাখি কিনি সেটিও মাস নয়েক পর খাচা কেটে উড়ে যায়। এভাবে ক্লাস নাইন অবধি চলছিল, তারপর কোয়েল, খরগোশ, রাজহাঁস ইত্যাদিও বাদ পরেনি। টেনের শেষদিকে এক পাখিপ্রেমী ভাইয়ের সাথে বেশ সখ্য হয়, সে আমাকে তার একজোড়া অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু দিয়ে দেন, দুর্ভাগ্যক্রমে দুটি ঘুঘুই ফিমেল হয় আর আমার তাদের জোড়া খোজার উদ্দেশ্যে শহরের পাখির দোকানগুলোতে যাতায়াত বেড়ে যায়, এভাবে চলতে চলতে আবার আমি বাজরিগারের প্রেমে পরে যাই এবং টাকা জমিয়ে ২ জোড়...