সরকারি BCRDV ভ্যাকসিনের দাম ২০ টাকা এই BCRDV ভ্যাকসিন দেয়ার সঠিক নিয়ম হচ্ছেঃ মুরগির বাচ্ছার প্রথম ৫ দিনের মধ্যে দিতে হয় । ভ্যাকসিন তৈরি করার ১ ঘণ্টার মধ্যে দিতে হয় । ২ চোখে ২ ফোঁটা অথবা ১ চোখে ১ ফোঁটা দিলেও হবে । যদি বাচ্চা কম হয় তাহলে মুখে ১ ফোঁটা করে দিয়ে দিবেন । অবশিষ্ট ভ্যাকসিন মাটির নিচে পুঁতে রাখুন । পরের দিন মাল্টিভিটামিন দিবেন । রানীক্ষেত ভ্যাকসিন দেয়ার ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবেঃ ১। সুস্থ মুরগির বাচ্চা ঃ সুস্থ বাচ্চায় ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে ভালো ফলাফল পাওযা যায়। তাই ভ্যাকসিন প্রয়োগের পূর্বে বাচ্চার সুস্থতা নিশ্চিত করতে হবে। ২। ভ্যাকসিনেশনের সঠিক সময়সূচী নির্ধারণ ঃ বাচ্চায় মেটারনাল এন্টিবডির অবস্থা জেনে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে ভালো হয়। তবে এই পরীক্ষা কিছুটা ব্যায়বহুল হওয়ায় আমাদের দেশে সাধারণ খামারীদের জন্য এর সুযোগ কম। তাই একজন দক্ষ ভেটেরিনারিয়ান বা পোল্ট্রি বিশেষজ্ঞ’র সাথে পরামর্শ করে এলাকায় রোগের প্রাদুর্ভাব অনুযায়ী ভ্যাকসিন প্রয়োগের সঠিক সময়সূচী নির্ধারণ করা উচিৎ। ৩। সঠিক ভ্যাকসিন নির্বাচন ঃ...
কয়েকটি ছবি দিলাম। প্রথম ছবিটি বাণিজ্য মেলার একটি শিশুদের খেলনা বিক্রয়ের স্টল থেকে তোলা। নানারকম খেলনা দেখতে পাচ্ছেন এখানে। গিটার, খেলনা পশু, গাড়ি ইত্যাদি। সেই সাথে আছে একে-৪৭ রাইফেলও। চমৎকার খেলনা, তাই না? budgerigar breeder in ctg এবার আসুন, সাম্প্রতিক কিছু খবর পড়ি উত্তরায় কিশোরদের দুই গ্রুপের বিবাদের জেরে হত্যা করা হলো এক কিশোরকে। ফরিদপুরে মোটর সাইকেল কিনে না দেয়ায় বাবা-মা’র গায়ে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে এক কিশোর। মতিঝিল এজিবি কলোনির কিশোর বাইকারদের দলের সন্ত্রাসের বলি হলেন একজন মা। ড্রাগ এ্যাডিক্ট কিশোরী ঘুমের বড়ি খাইয়ে অজ্ঞান করে হত্যা করলো তার বাবা-মাকে। ফেসবুকের ‘আনসেন্সর্ড’ গ্রুপে রাতভর অশ্লীলতায় মগ্ন কিশোর-কিশোরীরা। ভাবছেন, সামান্য খেলনার প্রসঙ্গে এত কথা কেন বলছি? এবার নিচের একটি ছবিটি দেখুন। budgerigar breeder in ctg এই মেয়েটা এসেছে বাণিজ্যমেলারই অন্য একটি স্টলে। বিস্মিত হয়ে দেখছে নানারকম বিজ্ঞানের টুলস। ছবিটা দেখুন, আর ভাবুন। একটা আশাবাদ জাগে না? একটু ভরসা পাওয়া যায় না? আমাদের অবহেলা এবং অজান্তেই বিলপ্ত হয়ে যাচ্ছে শিশুদের বিনোদন আর সৃজনশীলতা। তারা আসক্ত হয়ে পড়ছে যৌন এবং অপরাধের প্র...
তখন ২০০৮ সাল, আমি সবেমাত্র ৩য় শ্রেণিতে উঠেছি, ক্লাসে ১ম হওয়ায় ভাইজান আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল কি চাই তোর, আমি সোজা বাক্যেই বলি, আমি টিয়া পাখি নিবো ( তখন বাজরিগারের নামও শুনি নাই), তার আগ থেকেও পশুপাখির প্রতি ভালোবাসা কাজ করতো, গুলতি দিয়ে শালিক/বাবুই শিকার করতাম, বাসায় এনে ১/২ দিন রাখতাম ইত্যাদি ইত্যাদি… তো ভাই নিয়ে আসলো ৩টা বাজরিগার, সেদিন আনন্দে সারারাত ঘুম আসেনি, নিজের বিছানায় খাচা নিয়ে বসেছিলাম, ওই পাখিগুলো ২ বছর যাবৎ আমার কাছে ছিলো, একবার ভ্রমনে যাওয়ায় ২টা পাখি খাদ্য সংকটে মারা যায় আর একটা বিড়াল আক্রমণ করে। তারপর আমি নিজে টিফিনের টাকা জমিয়ে একটা টিয়াপাখি কিনি সেটিও মাস নয়েক পর খাচা কেটে উড়ে যায়। এভাবে ক্লাস নাইন অবধি চলছিল, তারপর কোয়েল, খরগোশ, রাজহাঁস ইত্যাদিও বাদ পরেনি। টেনের শেষদিকে এক পাখিপ্রেমী ভাইয়ের সাথে বেশ সখ্য হয়, সে আমাকে তার একজোড়া অস্ট্রেলিয়ান ঘুঘু দিয়ে দেন, দুর্ভাগ্যক্রমে দুটি ঘুঘুই ফিমেল হয় আর আমার তাদের জোড়া খোজার উদ্দেশ্যে শহরের পাখির দোকানগুলোতে যাতায়াত বেড়ে যায়, এভাবে চলতে চলতে আবার আমি বাজরিগারের প্রেমে পরে যাই এবং টাকা জমিয়ে ২ জোড়...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
আপনার মতামত শেয়ার করুন